সম্প্রতি উত্তরা গণভবনের ভেতরের কিছু মরা গাছ ও ডালপালা বিক্রির জন্য নিলাম বিজ্ঞপ্তি দেয় গণপূর্ত বিভাগ। রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত হওয়ায় গণপূর্ত বিভাগ বন বিভাগের কর্মকর্তাদের দিয়ে গাছগুলি শনাক্ত করে মূল্য নির্ধারণ করে।

ঠিকাদার নির্ধারিত গাছের বাইরেও বেশ কিছু শতবর্ষী তাজা আমগাছ কেটে বাইরে নিয়ে যাচ্ছিল। জেলা প্রশাসন বিষয়টি জানার পর গাছকাটা বন্ধ করে দেয়।
পরে তিন কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার সময় দিয়ে তদন্ত কমিটি করে জেলা প্রশাসন।
জেলা প্রশাসক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অবৈধভাবে গাছকাটা ও অন্য অনিয়মের অভিযোগে তদন্তে করা কমিটির সুপারিশে নাটোর গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান আকন্দ, উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসডি) জিয়াউর রহমান ও বিভাগীয় প্রকৌশলী (এসও) মো. কামরুজ্জামানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

“একই সঙ্গে গাছ কাটার ঠিকাদার সোহেল ফয়সালের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।”

বৃহস্পতিবার এসব আদেশের মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তদন্ত কমিটি নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন দিয়েছে জানিয়ে শাহিনা খাতুন আরও বলেন, “মোট এক হাজার ৯২ সিএফটি গাছ কাটা হয়েছে। ১৮ হাজার টাকায় গাছ বিক্রি করা হয়েছে, অথচ ঠিকাদার তিন লাখ ৬৩ হাজার টাকার গাছ কেটেছেন।এতে নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউর রহমান আকন্দ, ঠিকাদার সোহেল ফয়সাল, গণভবনের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুস সবুর তালুকদার প্রত্যক্ষভাবে এবং এসডি , এসও, কেয়ারটেকার আবুল কাশেমকে পরোক্ষভাবে দায়ী করা হয়েছে।”
উত্তরা গণবভন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য তদন্ত কমিটি সাতদফা সুপারিশও করেছে বলে জানান জেলা প্রশাসক।

Comments